I am sort of a newbie in Latex (Do you know that the pronunciation is "Latek"? Here in Germany, I have heard people saying "Lates"!) . I was in that "I will start doing it, tomorrow" status for so long I can't even remember. I usually do not start something fruitful until or unless I am pressured upon. Fortunately, this semester I am doing a seminar course where I have to go through litterateurs on a topic and write a paper reviewing those. And the paper has to be written in Latex. Thank God!
Anyway, I went through the available latex editors and eventually settled down to Texmaker, mostly because it runs on Windows too. I am running a pretty neat version of Windows 7 and I do want to beautify my paper while i am there.
For this seminar, we had to follow the ACM templates and as a starter those class and bib files can look a bit formidable. Anyway, I downloaded all the goodies and tried to build them through Texmaker, which failed, expectantly! The error messages were logged and most of them were about missing fonts. So I did a little Googling and came to know that you have to install some special fonts so that Latex can render your document correctly.
So, I run this command:
sudo ap-get install texlive-math-extra
And voila, everything was perfect!
Happy Texing!
Tuesday, November 17, 2009
Monday, August 24, 2009
এক বছর পর
গত রমজান প্রথম বারের মতন কাটিয়েছি দেশের বাইরে, ইতালিতে। ভাগ্যক্রমে এইবারের ছুটিটা এমন সময়েই পেলাম যে রোজা আর ঈদ দুইটাই ইনশাআল্লাহ দেশে কাটাতে পারবো। দেশের বাইরে প্রথম রমজান অবশ্য খুবই ভালো কেটেছে- আমার ইউনিতে সিনিয়র ভাইয়ারা এত্ত জোস- ইফতার নিয়ে কোন চিন্তাই করতে হয়নি। প্রথম রোজাতেই ইফতার পার্টি দিয়ে শুরু, তারপর নিয়মিত বিরতিতেই চলেছে। বুট, ছোলা, ভাজাপোড়া কোনটাই বাদ পড়েনি। যত যাই হোক, বাসায় আম্মুর হাতের ইফতারের কথা আলাদা, মানতেই হবে। যার যার বাসার ইফতার তার কাছে সবচাইতে ভালো লাগাটাই স্বাভাবিক। আর বাইরে তো এখানকার মতো হালিম, জিলাপি, বুন্দিয়া পাওয়া যায় না।
রোজার মধ্যে কাজকর্ম নিয়ে থাকলেই ভালো, সময়টা কেটে যায় ব্যস্ততাতে। কিন্তু এইবার তো আমার শুধু ছুটি, সারাদিন শুয়ে বসে, পেপার পড়ে কাটাতে হয় - একটু কষ্টই। মনে আছে ২০০৩ এর রোজার কথা, পুরো মাসটাই কাটিয়েছিলাম ওমেকাতে কোচিং করিয়ে - কখনো মালিবাগ, কখনো ফার্মগেট। দিনে পাঁচটা ক্লাস নিচ্ছি এমনও হয়েছে। গলা শুকিয়ে কাঠ হতো ঠিকই, কিন্তু সময়টা কাটতো দারুণ। একবার ভুল করে ফিল্টার থেকে পানিও খেয়ে ফেলছিলাম, এবং একদম গরম পানি! মুখে দেয়ার সাথে সাথেই অবশ্য "ডাবল ফল্ট" টের পেয়েছিলাম!
আহ, কি চমৎকার দিনগুলি ছিলো।
রোজার মধ্যে কাজকর্ম নিয়ে থাকলেই ভালো, সময়টা কেটে যায় ব্যস্ততাতে। কিন্তু এইবার তো আমার শুধু ছুটি, সারাদিন শুয়ে বসে, পেপার পড়ে কাটাতে হয় - একটু কষ্টই। মনে আছে ২০০৩ এর রোজার কথা, পুরো মাসটাই কাটিয়েছিলাম ওমেকাতে কোচিং করিয়ে - কখনো মালিবাগ, কখনো ফার্মগেট। দিনে পাঁচটা ক্লাস নিচ্ছি এমনও হয়েছে। গলা শুকিয়ে কাঠ হতো ঠিকই, কিন্তু সময়টা কাটতো দারুণ। একবার ভুল করে ফিল্টার থেকে পানিও খেয়ে ফেলছিলাম, এবং একদম গরম পানি! মুখে দেয়ার সাথে সাথেই অবশ্য "ডাবল ফল্ট" টের পেয়েছিলাম!
আহ, কি চমৎকার দিনগুলি ছিলো।
Saturday, May 30, 2009
পুরোনো গিটার...
গিটার বাজানো আর স্ট্রিট ড্যান্সিং - এই দুইটা বস্তু আমার খুবই প্রিয়। কোনটাই পারিনা, কি আর করা লোকজনেরটা দেখেই খুশি থাকি!
এই ভদ্রলোকের বাজানো দেখে আমি পুরা মুগ্ধ, একেবারেই আনকনভেনশনাল, অরিজিনাল, অসাধারণ!
এই ভদ্রলোকের বাজানো দেখে আমি পুরা মুগ্ধ, একেবারেই আনকনভেনশনাল, অরিজিনাল, অসাধারণ!
Tuesday, March 24, 2009
দূর পরবাসে - ৫: বরফ আর পাহাড়ের রাজ্যে
"আকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমায় ওই..." গানটা আমি শুনিনি কখনো কিন্তু যে শহরে থাকি সেখানকার জন্যে এই লাইনটা একদম পারফেক্ট। আল্পস এর পাদদেশে এই ট্রেনটো শহরে আগে নাকি লোকজন স্বাস্থ্য উদ্ধারের জন্য আসতো, আর এখন আসে স্কি করতে। স্কি ট্র্যাক হিসাবেও ট্রেনটো বেশ বিখ্যাত। আমাদের আমেরিকান বন্ধু জেফ, যে নাকি কলোরাডোতে হাঁটতে শেখার আগে স্কি করতে শিখেছে, এখানকার ট্র্যাকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। জেফ বলেছিলো ওর সাথে স্কি করতে গেলে শিখিয়ে দেবে, কিন্তু আমার হাত-পা ভাঙ্গার ভীতিজনিত কারণে আর যাওয়া হয়নি। এই শীতের সিজন শুরু হওয়ার পর থেকেই দেখছি রাস্তাঘাটে অনেক লোকজন (ইউনির প্রফেসর পর্যন্ত) পায়ে ব্যান্ডেজ, হাতে ক্রাচ আর মুখে পরিতৃপ্তির হাসি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এইটাই শীতের স্টাইল, স্কি করতে গিয়ে পা ভাঙ্গা নিয়ে কথা!
অন্য ইউনির কথা জানিনা কিন্তু আমাদের এখানকার ওয়েলকাম অফিস (মানে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অফিস) খুবই অ্যাক্টিভা এবং হেল্পফুল। ইতালির মত দেশে, যেখানে ব্যুরোক্রেসির লাল ফিতার দৌরাত্ন্য বাংলাদেশের চেয়ে কম না, এই ওয়েলকাম অফিসের জন্যেই আমাদের ভিসা, হোস্টেল, স্টে পারমিট, ডাক্তার দেখানো থেকে শুরু করে অন্য দেশে ঘুরতে গিয়ে পাসপোর্ট হারানো - সব মুশকিলের আসান হয়ে যায় নিমিষেই। এসব ঝামেলা মেটানোর পরেও ওরা আরো অনেক কিছু করে, যেমন মুভি শো, ওয়েলকাম পার্টি, ল্যাংগুয়েজ ক্যাফে। তবে সবার সবচাইতে প্রিয় মনে হয় ওদের ট্যুরগুলো, প্রতি মাস-দুমাসে আয়োজন করে ওরা, আশেপাশের শহর, লেক, পাহাড় বা মিউজিয়ামে। এসব ট্যুর লিমিটেড লোকের জন্যে হয়, খুব তাড়াতাড়ি মেইল করে কনফার্ম না করলে মিস হয়ে যায়। তবে বাঙ্গালিরা একজন জানা মাত্রই সবাইকে জানানো হয়ে যায় বড়জোর একঘন্টায়, তাই ওয়েলকামের সব ট্যুরেই অর্ধেক বাস ভর্তি থাকি আমরা!
Dolomiti বা ডলোমাইটস ট্যুরের জন্য অনেকদিন অপেক্ষা করে যাওয়া হলো এই গত শনিবারে। বাস জার্নিটা খুবই দারুণ ছিলো, পাহাড়ি রাস্তায় এমন সব কার্ভ, মনে হচ্ছিলো থিমপার্কের কোন রাইডে চড়েছি। ডলোমাইটস এর কাছাকাছি যেতেই দেখা গেলো দলে দলে লোকজন স্কি করছে, ছেলে-বুড়ো পুরো ফ্যামিলিশুদ্ধ। স্কি করতে দেখাটা বেশ অ্যাডিক্টিভ, বাস থেকে সবাইকে দেখে বেশ লোভ হচ্ছিলো। সাথের রাশিয়ান একজন বললো, দেখতে যত সোজা বাস্তবে তার চাইতে ঢের কঠিন, তবে বিগিনারদের জন্যে আলাদা ট্র্যাকও আছে। যাহোক আমরা বাসে করে যতটুকু যাওয়া যায় গিয়ে সেখান থেকে ১০ ইউরো দিয়ে কেবল কারের টিকিট কাটলাম। কেবল কার জিনিসটাই আমার ব্যাপক প্রিয়, আর ওইরকম পাহাড় আর বরফের উপর দিয়ে গেলে তো সোনায় সোহাগা! উপরে গিয়ে আমরা যারপরনাই মুগ্ধ আর একই সাথে ঠাণ্ডায় জমে বরফ। আমরা ছিলাম ২৯৫০ মিটার উপরে। ঝকঝকে রোদেলা দিনে সবাই মিলে যার যা আছে ঝাঁপিয়ে পড় নীতিতে যার যার ক্যামের নিয়ে ছবি তুলতে লেগে গেলো। আমরা যে রাস্তা ধরে আসলাম, সেই রাস্তাটা দেখা যাচ্ছিলো উপর থেকে।


আমি জানিনা অন্য স্কি ট্র্যাকে এইরকম কোন ওয়ার্নিং থাকে কিনা, তবে এইখানে ছিলো -কে শোনে কার কথা! অনেক দুঃসাহসীদের দেখা গেলো কেবল কারে করে উপরে এসে ধুমধাম স্কি করতে নেমে যাচ্ছে। এমনই এক দলের সাথে ছবি তোলা হলো।
ঠাণ্ডায় হাত জমে যাচ্ছিলো বলে অনেকেই একটু পর পর বাথরুমের হ্যান্ড ড্রায়ারে হাত 'গরম' করে নিচ্ছিলো। বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া খিচুড়ি-গরুর মাংস দিয়ে লাঞ্চ সারা হলো। তারপর উপরের রেস্টুরেন্টের আরামদায়ক উষ্ণতায় এক কাপ গরম চকোলেট উইথ হুইপড ক্রিম!
উপরে প্রায় দুঘন্টা কাটিয়ে কেবল কারে করে নেমে এলাম। তারপর ঘরে ফেরার পথে একটা লেকের (Lake Carezza) পাশে থামা হলো, শুনেছিলাম খুব সুন্দর এই লেকের পানি নাকি পুরো সবুজ। আমরা অবশ্য সাদা ছাড়া আর কিছুই দেখতে পেলাম না - পুরো লেকটাই জমে ছিলো!
এটা লেকের পাড় থেকে তোলা ছবি, বামদিকের গাছের ফাঁকে যা দেখা যাচ্ছে ওইটাই লেক। চারপাশে এত পুরু হয়ে বরফ জমে ছিলো যে ছবিও তোলা যায়নি ঠিকমত।
পুরো ট্যুরের ছবির ফেসবুক অ্যালবামঃ
প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় পর্ব
Thursday, March 19, 2009
দূর পরবাসে - ৪: ICT DAY এবং বিরিয়ানি
আজকে একটা ক্লাস ছিলো সারাদিনে, সেটাও হলোনা ICT Day এর কল্যাণে। ICT Day মানে অনেকটা আমাদের দেশের জব ফেয়ারের মত, বিভিন্ন নামজাদা কোম্পানি থেকে প্রতিনিধিরা আসবে, ছাত্ররা রিজ্যুমে নিয়ে কথাবার্তা বলবে, সম্ভাব্য চাকরি নিয়ে আলোচনা করবে, এই আর কি।
অনুষ্ঠান ছিলো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত, মাঝে প্রতি ঘন্টায় কোম্পানিগুলোর প্রেজেন্টশান। বিশটার মত স্টল ছিলো, IBM, Siemens, Alcatel, Fiat Research, Telecom Italia ছাড়াও আরো অনেকগুলান। বেশ ভিড় দেখলাম, টেলিকম ইতালিয়ায় তো রীতিমত লাইন ধরতে হইছে কথা বলার জন্যে। IBM রোমে তিন মাসের ইন্টার্নশিপ দিচ্ছে, এখানে থাকলে হয়তো সুযোগ নেয়া যেত। কিন্তু আমি আছি জুলাই পর্যন্ত, সুতরাং সে গুড়ে বালি।
আমরা পাঁচজনা এক সাথে খাওয়াদাওয়া করি, সপ্তাহের পাঁচদিন ঘুরেফিরে রান্না করতে হয় সবাইকেই। আজ আমার রান্না ছিলো। বেশ কিছু বাসমতি চাল স্টকে থাকায় জনগণ বিরিয়ানি খাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলো গতকাল। ডাল-ভাত-মাছ-মাংস মাশাল্লাহ ভালোই রান্না করি কিন্তু বিরিয়ানিতে এখনও কনফিডেন্স না থাকায় রাশেদ ভাইয়ের শরণাপন্ন হলাম; দুইজনে মিলে জব্বর একখান রান্না হলো। দেশে থাকতে আব্বু-আম্মুকে দেখতাম কত প্রিপারেশান নিয়ে বিরিয়ানি রান্না করতো (সেইটা অবশ্য অতি অসাধারণ বাদশাহি বিরিয়ানি, তার ধারে কাছে যাইতে পারলে বর্তে যেতাম!), আমাদের সিম্পল রেসিপিতে রাঁধা বিরিয়ানিও কিন্তু মন্দ হয়নি।
বিরিয়ানি শেষে পলিন ভাইয়ের কিচেনে বসে আবার চা-বিস্কুট এবং গপ্পো। আগামীকালের রেসিপিটাও ঠিক করে ফেলা হলো।
খাওয়ার উপরেই আছি!
অনুষ্ঠান ছিলো সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত, মাঝে প্রতি ঘন্টায় কোম্পানিগুলোর প্রেজেন্টশান। বিশটার মত স্টল ছিলো, IBM, Siemens, Alcatel, Fiat Research, Telecom Italia ছাড়াও আরো অনেকগুলান। বেশ ভিড় দেখলাম, টেলিকম ইতালিয়ায় তো রীতিমত লাইন ধরতে হইছে কথা বলার জন্যে। IBM রোমে তিন মাসের ইন্টার্নশিপ দিচ্ছে, এখানে থাকলে হয়তো সুযোগ নেয়া যেত। কিন্তু আমি আছি জুলাই পর্যন্ত, সুতরাং সে গুড়ে বালি।
আমরা পাঁচজনা এক সাথে খাওয়াদাওয়া করি, সপ্তাহের পাঁচদিন ঘুরেফিরে রান্না করতে হয় সবাইকেই। আজ আমার রান্না ছিলো। বেশ কিছু বাসমতি চাল স্টকে থাকায় জনগণ বিরিয়ানি খাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলো গতকাল। ডাল-ভাত-মাছ-মাংস মাশাল্লাহ ভালোই রান্না করি কিন্তু বিরিয়ানিতে এখনও কনফিডেন্স না থাকায় রাশেদ ভাইয়ের শরণাপন্ন হলাম; দুইজনে মিলে জব্বর একখান রান্না হলো। দেশে থাকতে আব্বু-আম্মুকে দেখতাম কত প্রিপারেশান নিয়ে বিরিয়ানি রান্না করতো (সেইটা অবশ্য অতি অসাধারণ বাদশাহি বিরিয়ানি, তার ধারে কাছে যাইতে পারলে বর্তে যেতাম!), আমাদের সিম্পল রেসিপিতে রাঁধা বিরিয়ানিও কিন্তু মন্দ হয়নি।
বিরিয়ানি শেষে পলিন ভাইয়ের কিচেনে বসে আবার চা-বিস্কুট এবং গপ্পো। আগামীকালের রেসিপিটাও ঠিক করে ফেলা হলো।
খাওয়ার উপরেই আছি!
Labels:
diary
Saturday, March 14, 2009
দূর পরবাসে - ৩
ইতালিতে এসে শীতের প্রকোপে তেমন পড়তে হয় নাই আমাদের। ডিসেম্বর-জানুয়ারি, যেই সময়টায় কড়া ঠাণ্ডা ছিলো তখন আমাদের পরীক্ষা চলে, ঘর থেকে বের হওয়া লাগছে সপ্তাহে দুই সপ্তাহে এক-দুই দিন। নতুন সেমিস্টার শুরু হলো ফেব্রুয়ারি ১৫ তে, এই মার্চে এসে ওয়েদার হয়ে গেছে আমাদের দেশের বসন্তকালের মত। বরফমাখা আল্পস এর চূড়া থেকে আসা বেয়াড়া কনকনে বাতাসটাই যা একটু ডিসটার্ব করে। গত সপ্তাহে পুরোটাই ছিলো ঝকঝকে রোদমাখা মন ভালো করা সব দিন, টেম্পারেচার দিনের বেলায় ১৫-১৮ এর ঘরে! আমরা থাকি ইতালির একদম উত্তরে, ঠাণ্ডা প্রান্তে। এইখানেই এই অবস্থা।
এইরকম রোদেলা দিনে সপ্তাহান্তে আমরা ক্রিকেট খেলবোনা, চিন্তাও করা যায়না। শহরে অনেক মাঠ আছে, তবে সাধারণত মাঠে খেলতে যাওয়ার অনেক হ্যাপা, আগে থেকে বুকিং দেয়া লাগে, ভাড়াও দেয়া লাগতে পারে। তবে আমাদের ঘরের কাছেই একটা মাঠ আবিষ্কার করা গেছে যেইটার কোন মালিক নাই, বেশ সুন্দর, চারদিকে ফেন্স দেয়া, চার-ছয় মারলেও বাসার ছাদে গিয়ে পড়ার চান্স নাই, বড়জোর বারান্দায় যাইতে পারে। পিচ্চি কতগুলারে দেখা যায় ফুটবল নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে, আমরা গেলে অবশ্য তারা মাঠের বাইরে এক কোনায় চলে যায়, বেশ আগ্রহ নিয়ে আমাদের 'আজব' খেলা দ্যাখে। আর বাইরে বল গেলে দৌড়ায় গিয়ে বলে এনে দেয়। চারপাশের লোকজনও চলতে ফিরতে দাঁড়ায় যায় আমাদের খেলা দেখে, অনেকে জানতে চায় "কয় গোল হইলো?"!
আজকে তিনটা ম্যাচ খেলা হলো। দুটো দশ ওভার আর শেষে একটা ছয় ওভারের। সবগুলাই জমেছিলো বেশ। খেলা শেষে ফিরতে ফিরতে প্রায় দুপুর তিনটা; লাউভাজি, রুই মাছের দোপেঁয়াজা আর ডাল দিয়ে জমিয়ে খাওয়া হতে হতে বিকাল। সন্ধ্যার একটু আগে ভারতের সন্দ্বীপ ফোন করলো ব্যাডমিন্টন খেলতে যাবার জন্যে। যাবার ইচ্ছা ছিলো কিন্তু টায়ার্ড ছিলাম বেশ। একদিনে আর কত!
আর এখন ভাবতেছি কোন মুভিটা দেখা যায় - Hellboy 2, Chocolat নাকি V for Vendetta আরেকবার...
এইরকম রোদেলা দিনে সপ্তাহান্তে আমরা ক্রিকেট খেলবোনা, চিন্তাও করা যায়না। শহরে অনেক মাঠ আছে, তবে সাধারণত মাঠে খেলতে যাওয়ার অনেক হ্যাপা, আগে থেকে বুকিং দেয়া লাগে, ভাড়াও দেয়া লাগতে পারে। তবে আমাদের ঘরের কাছেই একটা মাঠ আবিষ্কার করা গেছে যেইটার কোন মালিক নাই, বেশ সুন্দর, চারদিকে ফেন্স দেয়া, চার-ছয় মারলেও বাসার ছাদে গিয়ে পড়ার চান্স নাই, বড়জোর বারান্দায় যাইতে পারে। পিচ্চি কতগুলারে দেখা যায় ফুটবল নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে, আমরা গেলে অবশ্য তারা মাঠের বাইরে এক কোনায় চলে যায়, বেশ আগ্রহ নিয়ে আমাদের 'আজব' খেলা দ্যাখে। আর বাইরে বল গেলে দৌড়ায় গিয়ে বলে এনে দেয়। চারপাশের লোকজনও চলতে ফিরতে দাঁড়ায় যায় আমাদের খেলা দেখে, অনেকে জানতে চায় "কয় গোল হইলো?"!
আজকে তিনটা ম্যাচ খেলা হলো। দুটো দশ ওভার আর শেষে একটা ছয় ওভারের। সবগুলাই জমেছিলো বেশ। খেলা শেষে ফিরতে ফিরতে প্রায় দুপুর তিনটা; লাউভাজি, রুই মাছের দোপেঁয়াজা আর ডাল দিয়ে জমিয়ে খাওয়া হতে হতে বিকাল। সন্ধ্যার একটু আগে ভারতের সন্দ্বীপ ফোন করলো ব্যাডমিন্টন খেলতে যাবার জন্যে। যাবার ইচ্ছা ছিলো কিন্তু টায়ার্ড ছিলাম বেশ। একদিনে আর কত!
আর এখন ভাবতেছি কোন মুভিটা দেখা যায় - Hellboy 2, Chocolat নাকি V for Vendetta আরেকবার...
Labels:
diary
Thursday, March 12, 2009
দূর পরবাসে - ২
ফেসবুক আজকাল ভালোই সময় খায়। খারাপ লাগেনা, লোকজন কি করতেছে জানা যায়, ছবি-টবি দেখা যায়, অনেক পুরান অথবা নন-টেকি বন্ধুবান্ধবও দেখি আজকাল ফেসবুকে চলে আসতেছে। ভালোই। প্রথম প্রথম আজাইরা সব গ্রুপ ইনভাইটেশান, টপ ফ্রেন্ড, বন্ধু তুলনা - এইগুলা খুব বিরক্তিকর লাগতো। এখন এইগুলা আর দেখিও না, কোন রিকোয়েস্ট দেখলেই সোজা ডিলিট। বন্ধুদের স্ট্যাটাস আর ছবিতে মন্তব্য করা, জন্মদিনে উইশ করা, হালকা পাতলা মেইল চালাচালি, এইতো। কবে যেন একটা ভিডিও দেখলাম, 25 things I hate about Facebook নামে। আরে যেটারে এত অপছন্দ করে সেইটারে নিয়া গবেষণা করার কি আছে! আমার তো মনে হয় সবই হইলো মার্কেটিং পলিসি। যতই ঘৃণা করিবে ততই ভালোবাসিবে।
Labels:
diary
Subscribe to:
Posts (Atom)

